Blog

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিল্প হলো তৈরি পোশাক। বর্তমানে এ খাত থেকেই সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়। এ শিল্প বিশ্ববাজারে সুনাম অর্জনের পাশাপাশি সৃষ্টি করেছে লাখ লাখ লোকের কর্মসংস্থান। মোট কথা, বাংলাদেশের রফতানি শিল্পে এটি একটি সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।বর্তমান সময়ে শিক্ষা লাভ করে চাকরির ক্ষেত্রে যে কেউ সাফল্যের শীর্ষে পৌছতে পারে। মূলত উন্নতি আর সাফল্য নির্ভর করে কর্মক্ষেত্র নির্বাচন ও যথাযথ প্রয়োগের ওপর। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন মেধা, মনন ও দক্ষতা। বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বে যে কয়েকটি শিল্প মাধ্যম দ্রুত বিকাশ লাভ করেছে, তার মধ্যে টেক্সটাইল শিল্প অন্যতম।চাকরির বাজারে যে কয়টি পেশার অসম্ভব চাহিদা রয়েছে তার মধ্যে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার অন্যতম।বিশ্বমানের টেক্সটাইল শিল্পের কাতারে বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্প ইতোমধ্যেই নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। যার ফলে এই শিল্পে প্রয়োজন দক্ষ প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের।ক্রমবর্ধমান টেক্সটাইল মিল, বায়িং হাউজ, বুটিক হাউজ, ফ্যাশন হাউজ ও গার্মেন্টস শিল্পের দ্রুত বিকাশের কারণে এই শিল্পে চাকরির রয়েছে সবসময়ই অবারিত সুযোগ। টেক্সটাইল বা গার্মেন্টস শিল্পে দক্ষ টেক্সটাইল শিক্ষার্থীদের চাহিদা এতটাই বেশি যে, অনেক সময়ই এসব বিষয়ের শিক্ষার্থীদের পাশ করার পূর্বেই চাকরি হয়ে যায়।এছাড়া বিদেশে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের বিপুল চাহিদার কারণে কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন উন্নত দেশে মাইগ্রেশনের মাধ্যমে প্রতি বছর প্রচুর টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন।

কর্মক্ষেত্র:

টেক্সটাইল,গার্মেন্টস, ফ্যাশন ডিজাইনিং বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে রয়েছে চাকরির বড় বাজার। বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের সুযোগের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপিত দেশি-বিদেশি টেক্সটাইল মিল, বিভিন্ন বায়িং অফিস, বুটিক হাউজ, ফ্যাশন হাউজ, গার্মেন্টস শিল্প ও টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের রয়েছে অনেক সুযোগ। মূলত টেক্সটাইল বিষয়ে শিক্ষার্থীদের যেকোনো ছোট-বড় টেক্সটাইল বা গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির পণ্য উত্পাদন কার্যক্রমের প্রাণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বিভিন্ন কম্পোজিট শিল্প, স্পিনিং, উইভিংসহ গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানেও তারা কাজ করে থাকেন। সেই সাথে বিভিন্ন ব্যাংক এবং শিল্প ঋণ প্রদানকারী সংস্থাসমূহের শিল্পঋণ বিতরণ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে চাকরির সুযোগ রয়েছে। ফলে দেশের অভ্যন্তরেই তাদের জন্য রয়েছে বিশাল কাজের ক্ষেত্র। যার ফলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসমূহের নিকট টেক্সটাইল বিষয়ের শিক্ষার্থীদের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা।

বেতন বা আয় : 

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার যে কোনো প্রতিষ্ঠানে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরি শুরু করতে পারেন। একজন দক্ষ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারের বেতন ৫ থেকে ৬ বছরের মধ্যে কমপক্ষে ৭০-৮০ হাজার টাকা হয়ে থাকে। টেক্সটাইল শিল্পে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি অভিজ্ঞতার যথেষ্ট মূল্যায়ন করা হয়। একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারের বেতন তাদের কর্মের দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার ওপর নির্ধারিত হওয়ার মাধ্যমে দ্রুত বাড়ে। ফলে সেই সঙ্গে বাড়ে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদেয় অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও।

যেখানে পড়বেন:

ড্যাফোডিল পরিবার পরিচালিত অন্যতম আধুনিক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট (ডিটিআই)। ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট  বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ঢাকার প্রাণকেন্দ্র পান্থপথে নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস সমৃদ্ধ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।  𝑫𝑻𝑰 প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মানসম্মত  ও সম্মানজনক ক্যারিয়ার নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

বিস্তারিত জানতে:

৬৪/৬, লেকসার্কাস, পান্থপথ (রাসেল স্কয়ার), কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫ ।

৪৩/আর/৫-বি, ইন্দিরা রোড, পান্থপথ, ঢাকা-১২১৫।

Hotline: 9134695, 01713493267, 01713493288 and 01713493289

Leave a Reply